ছাগলে কি না বলে ; পাগলে কি না খায় ।। দূর এ আবার কি কথা । দূর এটা আবার কথা হল ??? এটা সঠিক কথা হল --- "পাগলে কিনা বলে ; ছাগলে কিনা খায়" । সত্যিই এ কথারও মানে আছে?? একথাটা ভিত্তিহীন কথা বার্তাতেই বলি । কিন্তু কথাটা ভিত্তিহীন নয় ।
যদি বলি " ঘড়ার ডিম " ঘোড়ার ডিম বলে কিছুই নেই কিন্তু "ঘোড়ার ডিম" কথার ভিত্তি আছে ।
এবার যদি এই লেখাটা কারুর মাথায় হিজিবিজি করে । না বুঝতে পারে । তবুও অনেক কিছুই বলেছি অথচ কিছুই বলি নি । হিজিবিজি কাকের ছানা নিয়ে যদি বলি ; এই "হিজিবিজি" র মাঝে 4 টি "ই" কার আছে । এর মধ্যে "ই" কার এর ধারাবাহিকতা আছে । " হ জ ব " আছে "র" "ল" নেই । "র "ল" নেই তবুও আছে । আসলে আমরা দেখতে পাচ্ছি না । কিন্তু আছে । যদি "হ জ ব র ল" ( জ = য বলি ) বা "হ য র ল ব" বলি মানে আসে হিজিবিজি ।
আসলে আপনারা বলবেন এই তত্ত্বে হিজিবিজি ভাঙলে অ , ই , জ , ব এই অক্ষর গুলোই পাব । এর বাইরে আর কোন মৌলিক অক্ষর নেই । সবাই বলবেন এর মধ্যে কোন অক্ষর নেই তাহলে " র ল " , এর মধ্যে আসলো কোথা থেকে ?? ---- এটা তোমার মস্তিষ্কপ্রসুত । আক্ষরিক অর্থে নেই ভাব অর্থে এরা আছে বলেই হিজিবিজি বা হযরলব মানে এক । হিজিবিজি আর হযরলব এর মধ্যে একটা ছন্দ আছে । একবার ভাবুন সত্যিই কেউ "র ল " কে মিউট করে রাখে । তাহলে .... ??
তাহলে সেই মিউট'টা খুজব কি করে?
বাচ্চাদের একটা খেলা আছে "জিগস্ পাজল " যার মানে কাটা কাটা ছবি জুড়ে গোটা ছবি তৈরি করে । এবার যদি ছবির কোন অংশ খুজে পাওয়া না যায় । তাহলে কল্পনা করতে হয় । এবার যদি আসল ছবি লুকিয়ে রেখে নকল ছবি কেউ সেখানে লাগায় । সেখানে কোন ভাবেই চেনা যাচ্ছে না । আসলে কারুর চোখেই ধরা পড়ছে না । সবাই বিশ্বাস করলেও____ যে ছবিটা সরিয়ে রেখেছে সে জানে সেটা নকল । সেটাকে আসল করে বলার জন্য নানা প্রমান দেবে । সেখান থেকে ছবিটা বের করানোর সূত্র বের করতে হয় ......
মহাভারতের যুদ্ধে একটা কথা আছে "বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচ্যগ্র মেদিনী "
আবার 17 শতকের আগ্রাসী মনোভাব সম্পন্ন মানুষদের লক্ষ্য বিনা যুদ্ধে অধিকার করিব সমগ্র মেদিনী । তাই মহাভারতের চেয়েও একটা বিশাল যুদ্ধের ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে ।
"মানহাটান" প্রকল্পের মতো ...... যাঁরা তৈরী করছেন তাঁরা নিজেরাই জানেন না তাঁরা যা তৈরি করছেন তা কি হতে চলেছে । যাঁরা তৈরী করছেন তাতে তাঁদেরই দেশ ধ্বংস করার পরিকল্পনা চলছে । তাঁরা সৃষ্টি সুখের উল্লাসে উদমত্ব । আর যাঁরা জানেন তাদের চোখে ঘুম নেই । উদ্ভ্রান্ত । কাউকে বললে বিশ্বাস করবে না । বিষয়টি গোপন রাখার কি মারাত্মক বেড়াজাল ছিল তা কল্পনার অতীত। এমনকি আইনস্টাইনকেউ প্রকৃত উদ্দেশ্য গোপন করে সম্মতি আদায় করে নিয়েছিল এক গভীর ছলনায় । এতবড় সেরা বিজ্ঞানীর চোখ ধুলো দিয়ে দিলেন রাজনৈতিক নেতারা । তাহলে কি বলব এই রাজনীতি সবচেয়ে সেরা ?? যদি রাজনীতির জন্যই রাজনীতি করা হয় তাহলে সেরা; কেবলমাত্র রাজনৈতিক নেতাদের কাছে । এখানে কোথাও কোন ভাবে ধরা পড়ল না লুকিয়ে রাখা অংশটাকে । সব গোপনীয়তা আয়নার মতো পরিষ্কার হয়ে গেল কয়েক লক্ষ মানুষের মৃত্যুর পর ।
সত্যিই অসাধারণ পথে এগোচ্ছে । যে পথে গোলা বারুদ কাজ হচ্ছে না । সেই পথে HIV ভাইরাস ফেলে রেখে গেছে । আর যদি কেউ টের পায় তাকে "যরলবহ " বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে । মগজ ধোলাই চলছে সবার।
HIV ভাইরাস দেহের তুলনায় কত ছোট কল্পনার অতীত । HIV ভাইরাসের বাইরের দিকে স্পাইক (মানে সৈন্য ) আছে । আর এর সৈন্য গুলি এমনি যে দেহের ইমিউনিসিস্টেম HIV ভাইরাসকে চিনতে ভুল করে । আমাদের দেহ ভাবে এ হল আমাদের দেহের সেল তাই ভুল করে বসে ।আর HIV ভাইরাস তার মনের বাসনা পূর্ন করে । ধীরে ধীরে সমস্ত ইমিউনিসিস্টেম কে প্রথমে ধ্বংস করে । তারপর অন্য রোগ বাসা বাঁধে । তারাই ধীরে ধীরে দেহকে মেরে ফেলে। তাদের আধিপত্য কায়েম করে । আর এই এইচ আই ভি যদি একবার দেহে প্রবেশ করতে পারে । সমগ্র দেহটাই দখল করে মহাভারতের চেয়েও বড় যুদ্ধ লাগিয়ে দেবে । তাই দেহ প্রবেশ করার এত ছল চাতুরী । যখন যুদ্ধ শেষ হবে দেহের ভেতর জীবন্ত সেল গুলি সবই বহিরাগত । যদি আপনার দেহে হয় আপনি দেখতে পাবেন ?? কি ।।।।। সেই হিজিবিজি কাকের ছানাদের ।
অনেক কথাই বললাম আপনারা কমপিউটার যুগের একবিংশ শতাব্দীর মানুষ । হযবরল কে একটু কাটাকুটি করে "জিগস্ পাজল " খেলুন। সব বুঝতে পারবেন । যাই হোক । পাগলের কথা হলেও একটু ভেবে দেখুন । আরে।।। আরে।।। আরে ।।। সত্যিই ভাবতে বসলেন । ভাল ।