হযবরল --- সম্পাদকীয় কলম ( লেখা সাল ২০১৬)

ছাগলে কি না বলে ; পাগলে কি না খায় ।।  দূর এ আবার কি কথা । দূর এটা আবার কথা হল ??? এটা সঠিক কথা হল --- "পাগলে কিনা বলে ; ছাগলে কিনা খায়" ।   সত্যিই এ কথারও মানে আছে??  একথাটা ভিত্তিহীন কথা বার্তাতেই বলি । কিন্তু কথাটা ভিত্তিহীন নয় । 
যদি বলি " ঘড়ার ডিম "  ঘোড়ার ডিম বলে কিছুই নেই  কিন্তু "ঘোড়ার ডিম" কথার ভিত্তি আছে ।


এবার যদি এই লেখাটা কারুর মাথায় হিজিবিজি করে । না বুঝতে পারে  ।  তবুও  অনেক কিছুই বলেছি অথচ কিছুই বলি নি । হিজিবিজি কাকের ছানা নিয়ে যদি বলি ; এই "হিজিবিজি" র  মাঝে 4 টি "ই" কার আছে । এর মধ্যে "ই" কার এর ধারাবাহিকতা আছে ।  " হ জ ব " আছে "র" "ল" নেই ।  "র "ল" নেই তবুও আছে । আসলে আমরা দেখতে পাচ্ছি না । কিন্তু আছে ।   যদি "হ জ ব র ল"  (  জ = য  বলি )  বা "হ য র ল ব" বলি মানে আসে হিজিবিজি ।

আসলে আপনারা বলবেন এই তত্ত্বে  হিজিবিজি ভাঙলে  অ , ই , জ , ব  এই অক্ষর গুলোই পাব । এর বাইরে আর কোন মৌলিক অক্ষর নেই । সবাই বলবেন এর মধ্যে কোন অক্ষর নেই তাহলে " র ল " , এর মধ্যে আসলো কোথা থেকে ??  ----  এটা তোমার মস্তিষ্কপ্রসুত ।  আক্ষরিক অর্থে নেই ভাব অর্থে এরা আছে বলেই  হিজিবিজি বা হযরলব  মানে এক ।  হিজিবিজি আর হযরলব এর মধ্যে একটা ছন্দ আছে ।  একবার ভাবুন সত্যিই কেউ "র ল " কে মিউট করে রাখে । তাহলে .... ??

তাহলে সেই মিউট'টা খুজব কি করে?
বাচ্চাদের একটা খেলা আছে "জিগস্ পাজল "  যার মানে কাটা কাটা ছবি জুড়ে গোটা ছবি তৈরি করে । এবার যদি ছবির কোন অংশ  খুজে পাওয়া না যায় ।  তাহলে কল্পনা করতে হয় ।  এবার যদি আসল ছবি লুকিয়ে রেখে নকল ছবি  কেউ সেখানে লাগায়  । সেখানে কোন ভাবেই চেনা যাচ্ছে না ।  আসলে কারুর চোখেই ধরা পড়ছে না । সবাই বিশ্বাস করলেও____  যে ছবিটা সরিয়ে রেখেছে সে জানে সেটা নকল । সেটাকে আসল করে বলার জন্য নানা প্রমান দেবে ।  সেখান থেকে  ছবিটা বের করানোর সূত্র বের করতে হয় ......

মহাভারতের যুদ্ধে একটা কথা আছে   "বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচ্যগ্র মেদিনী "
আবার 17 শতকের  আগ্রাসী মনোভাব সম্পন্ন  মানুষদের লক্ষ্য বিনা যুদ্ধে অধিকার করিব সমগ্র মেদিনী । তাই   মহাভারতের চেয়েও  একটা বিশাল যুদ্ধের   ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে ।

"মানহাটান" প্রকল্পের মতো ......  যাঁরা তৈরী করছেন  তাঁরা নিজেরাই জানেন না তাঁরা যা তৈরি করছেন  তা কি হতে চলেছে । যাঁরা তৈরী করছেন তাতে তাঁদেরই  দেশ ধ্বংস করার পরিকল্পনা চলছে  । তাঁরা সৃষ্টি সুখের উল্লাসে উদমত্ব । আর যাঁরা জানেন তাদের চোখে ঘুম নেই । উদ্ভ্রান্ত  ।  কাউকে বললে বিশ্বাস করবে না ।  বিষয়টি গোপন রাখার কি মারাত্মক   বেড়াজাল ছিল তা কল্পনার অতীত। এমনকি আইনস্টাইনকেউ প্রকৃত উদ্দেশ্য গোপন করে সম্মতি আদায় করে নিয়েছিল এক গভীর ছলনায় । এতবড় সেরা বিজ্ঞানীর চোখ ধুলো দিয়ে দিলেন রাজনৈতিক নেতারা ।  তাহলে কি বলব এই রাজনীতি সবচেয়ে সেরা ?? যদি রাজনীতির জন্যই রাজনীতি করা হয় তাহলে সেরা;  কেবলমাত্র রাজনৈতিক নেতাদের কাছে ।  এখানে   কোথাও কোন ভাবে ধরা পড়ল না লুকিয়ে রাখা অংশটাকে ।  সব গোপনীয়তা আয়নার মতো পরিষ্কার হয়ে গেল কয়েক লক্ষ মানুষের মৃত্যুর পর ।

সত্যিই অসাধারণ পথে  এগোচ্ছে । যে পথে গোলা বারুদ কাজ হচ্ছে না । সেই পথে HIV ভাইরাস ফেলে রেখে গেছে ।   আর যদি কেউ টের পায় তাকে  "যরলবহ "  বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে ।  মগজ ধোলাই চলছে সবার।

HIV ভাইরাস দেহের তুলনায় কত ছোট কল্পনার অতীত । HIV ভাইরাসের বাইরের দিকে স্পাইক (মানে সৈন্য  ) আছে । আর এর সৈন্য গুলি এমনি যে দেহের ইমিউনিসিস্টেম HIV ভাইরাসকে চিনতে ভুল করে ।  আমাদের দেহ ভাবে এ হল আমাদের দেহের সেল তাই ভুল করে বসে ।আর HIV ভাইরাস তার মনের বাসনা পূর্ন করে । ধীরে ধীরে সমস্ত ইমিউনিসিস্টেম কে প্রথমে ধ্বংস করে । তারপর অন্য রোগ বাসা বাঁধে । তারাই ধীরে ধীরে দেহকে মেরে ফেলে।  তাদের আধিপত্য কায়েম করে । আর এই এইচ আই ভি যদি একবার দেহে প্রবেশ করতে পারে ।  সমগ্র দেহটাই দখল করে  মহাভারতের চেয়েও বড় যুদ্ধ লাগিয়ে দেবে । তাই দেহ প্রবেশ করার এত ছল চাতুরী ।  যখন যুদ্ধ শেষ হবে দেহের ভেতর জীবন্ত সেল গুলি সবই বহিরাগত । যদি আপনার দেহে হয়  আপনি দেখতে পাবেন ?? কি ।।।।। সেই হিজিবিজি কাকের ছানাদের ।

অনেক কথাই বললাম আপনারা কমপিউটার যুগের একবিংশ শতাব্দীর  মানুষ । হযবরল কে একটু  কাটাকুটি করে  "জিগস্ পাজল " খেলুন। সব বুঝতে পারবেন । যাই হোক । পাগলের কথা হলেও একটু ভেবে দেখুন  । আরে।।।  আরে।।।  আরে ।।। সত্যিই ভাবতে বসলেন  ।  ভাল ।


Shyamal Kumar Rong

আমি মনসুকা খবরের এডিটর। মনসুকা খবরে আপনি যেকোনো খবর, ভিডিও, তথ্য বা গল্প আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। আপনার তথ্য আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপ: ৯৭৭৫৭৩২৫২৫

Previous Post Next Post
Mansuka Khabar

বিজ্ঞাপন

Mansuka Khabar