নমস্কার মনসুকা খবরে আপনাকে স্বাগত। করোনাভাইরাস আটকানোর জন্য পুলিশ প্রশাসন কিছু মানুষের উপর লাঠিচার্জ করছেন। এই কারণে অনেকেই বলছেন যে পুলিশ রা অমানবিকভাবে লাঠিচার্জ করছেন। কেন এভাবে লাঠিচার্জ করছেন আসুন আমরা একটু বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করি।
করনা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছি চীন ইতালি ফ্রান্স ইংল্যান্ড প্রভৃতি দেশে বহু লোক এই রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা না পেয়ে মারা গেছেন। এর প্রধান কারণ হল এই রোগটি তিনটি স্টেজে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথম দুটি স্টেজ এ সহজে রোগীদেরকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়। কিন্তু তৃতীয় স্টেজে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা সম্ভবপর হয়ে ওঠে না। এবার আসুন আমরা এই তিনটি স্টেজ নিয়ে আলোচনা করি।
প্রথম স্টেজ: প্রথম স্টেজ হল কোন ব্যক্তি বিদেশ থেকে আক্রান্ত হয়ে আমাদের দেশে প্রবেশ করল থার্মাল চেকআপের দ্বারা তিনি ধরা পড়লেন। সাথে সাথে তাকে হসপিটালে ভর্তি করা হলো।
দ্বিতীয় স্টেজ : যারা বিদেশ থেকে আসছেন তাদের মধ্যে অনেকে করনা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন কিন্তু থার্মাল চেকআপ এর দ্বারা ধরা পড়লেন না। এ প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো যে তিনি আক্রান্ত হলেন কিন্তু থার্মাল চেকআপ দ্বারা ধরা পড়লেন না কারণ এই ভাইরাসটি মানুষের ইমিউনিটি পাওয়ার এর উপর নির্ভর করে লক্ষণ প্রকাশ পায়। এই ভাইরাসটি দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তির মিনিমাম দুই থেকে এবং ম্যাক্সিমাম 14 দিনের মধ্যে লক্ষণ প্রকাশ পায়। এই মাঝের সময়ে এই ভাইরাসটি ওই আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির দেহে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এখানে যারা বিদেশ থেকে দেশে আসছেন তাদের শরীরে অনেকের কোন ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন কিন্তু তার লক্ষণ প্রকাশ পায় নি এমন ব্যক্তিদেরকে থার্মাল চেকআপ দ্বারা ধরা গেল না তখন সে ব্যক্তি কে সাধারণভাবে বাড়িতে নির্দিষ্টভাবে 14 দিনের জন্য আলাদা ভাবে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ওই ব্যক্তি বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে মেলামেশা করছে । যার ফলে ওই ব্যক্তি থেকে আরও কিছু ব্যক্তির শরীরে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে। যখন ওই ব্যক্তির করোনাভাইরাস ধরা পরল। তখন অলরেডি ব্যক্তি আরো কিছু জনকে ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত করে ফেলেছেন। এমন অবস্থা পর্যন্ত ওই ব্যক্তি এবং ওই ব্যক্তি কোন কোন ব্যক্তির সাথে মেলামেশা করেছেন সেই ব্যক্তিদেরকেও চিহ্নিত করে তাদেরকে কোন ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে কিনা চেকআপ করা সম্ভব হয়ে থাকে এই পর্যন্ত দ্বিতীয় স্টেজ।
করনা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছি চীন ইতালি ফ্রান্স ইংল্যান্ড প্রভৃতি দেশে বহু লোক এই রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা না পেয়ে মারা গেছেন। এর প্রধান কারণ হল এই রোগটি তিনটি স্টেজে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথম দুটি স্টেজ এ সহজে রোগীদেরকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়। কিন্তু তৃতীয় স্টেজে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা সম্ভবপর হয়ে ওঠে না। এবার আসুন আমরা এই তিনটি স্টেজ নিয়ে আলোচনা করি।
প্রথম স্টেজ: প্রথম স্টেজ হল কোন ব্যক্তি বিদেশ থেকে আক্রান্ত হয়ে আমাদের দেশে প্রবেশ করল থার্মাল চেকআপের দ্বারা তিনি ধরা পড়লেন। সাথে সাথে তাকে হসপিটালে ভর্তি করা হলো।
দ্বিতীয় স্টেজ : যারা বিদেশ থেকে আসছেন তাদের মধ্যে অনেকে করনা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন কিন্তু থার্মাল চেকআপ এর দ্বারা ধরা পড়লেন না। এ প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো যে তিনি আক্রান্ত হলেন কিন্তু থার্মাল চেকআপ দ্বারা ধরা পড়লেন না কারণ এই ভাইরাসটি মানুষের ইমিউনিটি পাওয়ার এর উপর নির্ভর করে লক্ষণ প্রকাশ পায়। এই ভাইরাসটি দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তির মিনিমাম দুই থেকে এবং ম্যাক্সিমাম 14 দিনের মধ্যে লক্ষণ প্রকাশ পায়। এই মাঝের সময়ে এই ভাইরাসটি ওই আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির দেহে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এখানে যারা বিদেশ থেকে দেশে আসছেন তাদের শরীরে অনেকের কোন ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন কিন্তু তার লক্ষণ প্রকাশ পায় নি এমন ব্যক্তিদেরকে থার্মাল চেকআপ দ্বারা ধরা গেল না তখন সে ব্যক্তি কে সাধারণভাবে বাড়িতে নির্দিষ্টভাবে 14 দিনের জন্য আলাদা ভাবে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ওই ব্যক্তি বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে মেলামেশা করছে । যার ফলে ওই ব্যক্তি থেকে আরও কিছু ব্যক্তির শরীরে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে। যখন ওই ব্যক্তির করোনাভাইরাস ধরা পরল। তখন অলরেডি ব্যক্তি আরো কিছু জনকে ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত করে ফেলেছেন। এমন অবস্থা পর্যন্ত ওই ব্যক্তি এবং ওই ব্যক্তি কোন কোন ব্যক্তির সাথে মেলামেশা করেছেন সেই ব্যক্তিদেরকেও চিহ্নিত করে তাদেরকে কোন ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে কিনা চেকআপ করা সম্ভব হয়ে থাকে এই পর্যন্ত দ্বিতীয় স্টেজ।
তৃতীয় স্টেজ: তৃতীয় স্টেজ হলো কোন আক্রান্ত ব্যক্তি যদি জনবহুল এলাকায় যায় এবং সেখানে একাধিক ব্যক্তি কে এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত করে ফেলেন। তবে সে ক্ষেত্রে ওই ব্যক্তি কোন কোন ব্যক্তিকে আক্রান্ত করে ফেলেছেন বা সংস্পর্শে এসে তাদের শরীরে কোন ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে তা নির্ণয় করা কোনভাবেই সম্ভব নয়। আগেই বলা হয়েছে যে তাদের শরীরে 14 দিনের মধ্যে কোন একসময় রোগ প্রকাশ পেতে পারে। তবে এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তি লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার আগে আরও কিছু মানুষকে এই করনা ভাইরাসে আক্রান্ত করে ফেলেছেন বিভিন্ন কাজের সময়। এই ভাবে প্রতিটি নতুন আক্রান্ত ব্যক্তি 14 দিন কিছুই বুঝতে পারে না।কিন্তু এই 14 দিনে তার সংস্পর্শে যতজন এসেছেন তার বেশিরভাগ মানুষই আক্রান্ত হয়ে যেতে পারেন। সেখান থেকে কোন কোন ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছেন সহজে বোঝা যায় না 14 দিন না কাটলে। এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই দেশে প্রতিটি মানুষের এই রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে। যেটা ইতালির ক্ষেত্রে ঘটেছে।
তাই এই ভারতবর্ষের পুলিশ প্রশাসন দ্বারা এই করনা ভাইরাসের আক্রান্তের স্টেজটা দ্বিতীয় অবস্থাতে আটকে নিতে চায়। যে কারণে কোন জনবহুল জনসমক্ষে কোন আক্রান্ত ব্যক্তির না পৌঁছাতে পারে তার জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। তার কারণ হচ্ছে একটি ব্যক্তি থেকে যাতে সহজে একাধিক ব্যক্তি তে খুব তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়তে না।
আসুন যদি দেখি কোন এক ব্যক্তি জনবহুল এলাকায় গিয়ে কোন দুইজনকে আক্রান্ত করে ফেলেছেন। এই ভাবে প্রতিটি আক্রান্ত ব্যক্তি যদি মাত্র দুইজন করে নতুন ব্যক্তিকে আক্রান্ত করে ফেলেন তাহলে 14 দিনের মাথায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা হতে পারে 32 হাজার 768 জন ব্যক্তি কে। এখানে প্রতিদিনই প্রতি জন দুটি করে আক্রান্ত করলে। কিন্তু একজন ব্যক্তি হয়তো একাধিক ব্যক্তিকে আক্রান্ত করে ফেলতে পারে। যার ফলস্বরুপ মাত্র 14- 15 দিনে বহু সংখ্যক মানুষের আক্রান্ত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। জিতু আক্রান্ত এর ঘটনাটা পুরো মানুষ থেকে মানুষে ঘটছে এবং একটি চেইন সিস্টেমের মতো চলেছে। তাই মানুষদেরকে মানুষের কাছে আসতে দেওয়া হচ্ছে না বা তৃতীয় স্টেজ বন্ধ করার জন্য কোন জনসমক্ষে আক্রান্ত ব্যক্তির না পৌঁছাতে পারে তার জন্য বাজারহাট জনবহুল এলাকায় সমাবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না।
এবার আমরা দেখিনি যদি সাধারণভাবে ছেড়ে দেওয়া হয় সাধারণ মানুষকে তারা যদি একইভাবে এভাবে আক্রান্ত করতে থাকে তাহলে কয়েকদিনের মধ্যেই হাজার হাজার ব্যক্তি এই রোগ দ্বারা আক্রান্ত। এত বেশি ব্যক্তি একসাথে কোন হসপিটালে তাদেরকে বেড দেওয়া সম্ভবপর হয়ে উঠবে না।এত ব্যক্তিদেরকে চিকিৎসা করার জন্য সেবা-শুশ্রূষা করার জন্য ঔষধ দেওয়ার জন্য যথোপযুক্ত ডাক্তার নার্স পাওয়া যাবে না। যার ফলস্বরুপ মানুষদেরকে রাস্তায় পড়ে পড়ে মরতে হবে না চিকিৎসা পেয়ে। নিশ্চয়ই ব্যাপারটি বুঝতে পেরেছেন এই কারণেই তৃতীয় স্টেজে না ব্যাকটেরিয়া পৌঁছাতে পারে তাই জোর করে মারধর করে হলেও জনবহুল এলাকায় কোনভাবেই কোন ব্যক্তিকে যেন এই ভাইরাস আক্রান্ত করতে পারে তার ব্যবস্থা করেছেন পুলিশ প্রশাসন।
তাই দু'চারটে লাঠি খাওয়া মনে হয় খুবই উপকার দেশকে বাঁচানোর জন্য মানুষকে বাঁচানোর জন্য সমাজকে বাঁচানোর জন্য নিজেদের বাঁচানোর জন্য আমাদের বাঁচানোর জন্য।
Tags
Health
